গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু এমপি বলেছেন, জেলা প্রশাসক আলোকিত কিশোর গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০২৬ লালমনিরহাটে আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। ফ্যাসিবাদের আমলে লালমনিরহাট থেকে ক্রীড়া বিদায় নিয়েছিল। বর্তমান সরকারের সহযোগিতায় এখানে ক্রীড়া ক্ষেত্রে প্রাণের সঞ্চার হয়েছে।
শনিবার (৩১ অক্টোবর) বিকাল ৩টায় লালমনিরহাট জেলা স্টেডিয়ামে ‘জেলা প্রশাসক আলোকিত কিশোর গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০২৬’-এর সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তবে এ কথা বলেন তিনি।
লালমনিরহাট জেলা প্রশাসক মুহঃ রাশেদুল হক প্রধান-এঁর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মোঃ আমিনুল হক। এ সময় লালমনিরহাট পুলিশ সুপার মোঃ আসাদুজ্জামান, লালমনিরহাট জেলা পরিষদের প্রশাসক একেএম মমিনুল হকসহ লালমনিরহাটের সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী, অভিভাবক, শিক্ষার্থী, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ ও সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
মন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু এমপি বলেন, সরকারের সদিচ্ছা ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় বর্তমানে দেশের বিভিন্ন স্থানে কোনো না কোনো ক্রীড়া প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
খেলোয়াড়দের উদ্দেশে মন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু এমপি বলেন, খেলায় অংশগ্রহণের মাধ্যমে তোমাদের মধ্যে যে প্রতিভার বিকাশ হচ্ছে তা লেখাপড়ার পাশাপাশি ধরে রাখতে হবে।
মাদক ও জুয়া মুক্ত সমাজ গঠনে খেলাধুলার ভূমিকা প্রসঙ্গে মন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু এমপি বলেন, একটি সুস্থ ও সুন্দর সমাজের অন্যতম বাধা হলো মাদক ও জুয়া। এতে তরুণেরা বেশি আসক্ত হয়। লেখাপড়ার পাশাপাশি তরুণদের খেলাধুলাতে মনোযোগী করে তুলতে পাড়লে জুয়া ও মাদকের মতো অপকর্ম থেকে তারা দুরে থাকবে যা একটি সুন্দর সমাজ গঠনকে সহজ করবে। তিনি আলোকিত লালমনিরহাট গড়তে সরকারি সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আশ্বাস দেন।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মোঃ আমিনুল হক বলেন, ফুটবলকে দেশের সর্বত্র ছড়িয়ে দিতে হবে। তিনি কিশোর বয়সই হলো ফুটবলের জন্য পারফেক্ট সময়। এই বয়সি ফুটবলারদের যদি সঠিকভাবে নার্সিং করা যায় তাহলে দেশের ফুটবলের পাইপলাইন সমৃদ্ধ হবে। প্রতিমন্ত্রী এই ধরনের ফুটবল টুর্নামেন্ট অন্যান্য জেলায় আয়োজনের জন্য সংশ্লিষ্টদের আহ্বান জানান।
উল্লেখ্য যে, ফাইনাল খেলায় বসুন্ধরা ক্রীড়া চক্র ১-০ গোলে নবাবের হাট আদর্শ ক্লাবকে পরাজিত করে চ্যাম্পিয়ন হয়। পরে চ্যাম্পিয়ন ও রানার্সআপ ট্রফি খেলোয়াড়দের মাঝে বিতরণ করা হয়।