লালমনিরহাটের পাটগ্রাম উপজেলার বুড়িমারী স্থলবন্দরের কাস্টমস পার্কিংয়ে প্রায় ২কোটি টাকা মূল্যের কাজুবাদাম রয়েছে বলে জানা গেছে। আমদানির পরিমাণ নিয়ে কাস্টমসের বক্তব্য ও স্থানীয়দের দাবিতে পার্থক্য থাকায় বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
বুড়িমারী কাস্টমসের সুপার কর্মকর্তা সালে উদ্দিন আহমেদ বলেন, ঢাকার এস এম এন্টারপ্রাইজ নামের প্রতিষ্ঠানটি ৫টন কাজুবাদাম আমদানি করেছে।
অন্যদিকে, বুড়িমারী স্থলবন্দরের শ্রমিক একরামুল হক ও অটোরিকশাচালক মজিদুল ইসলাম সাংবাদিকদের জানান, সংশ্লিষ্ট ট্রাকে প্রায় ১২টন কাজুবাদাম রয়েছে বলে তাঁদের ধারণা। তাঁদের বক্তব্য অনুযায়ী, ঘোষিত পরিমাণের চেয়ে পণ্যের পরিমাণ বেশি হতে পারে। তবে প্রকৃত পরিমাণ ওজন পরিমাপের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন।
তথ্যসূত্রে জানা গেছে, কাজুবাদামের চালানটি বর্তমানে ঢাকা মেট্রো-ট-১২৭৯৭৪ নম্বরের বাংলাদেশি ট্রাকে রয়েছে। ভারতীয় ট্রাক থেকে বাংলাদেশি ট্রাকে পণ্য স্থানান্তরের প্রক্রিয়া এবং আমদানি সংক্রান্ত কাগজপত্র যাচাই করে প্রকৃত তথ্য নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন। স্থানীয়দের দাবি করা ১২টন এবং কাস্টমস কর্মকর্তার উল্লেখ করা ৫টনের মধ্যে পার্থক্য থাকায় পণ্যের প্রকৃত পরিমাণ নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
পাশাপাশি পণ্যের ঘোষিত মূল্য, আমদানি শুল্ক ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র যথাযথ রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা জরুরি।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কাস্টমস কর্তৃপক্ষের বিস্তারিত বক্তব্য এবং আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান এস এম এন্টারপ্রাইজের প্রতিক্রিয়া পাওয়া গেলে প্রতিবেদনে যুক্ত করা হবে।
উল্লেখ্য যে, পণ্যের প্রকৃত ওজন, মূল্য ও আমদানির বৈধতা সংশ্লিষ্ট নথি এবং কর্তৃপক্ষের যাচাইয়ের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন। তাই যাচাইয়ের আগে চালানটিকে অবৈধ আমদানি হিসেবে চিহ্নিত করা হচ্ছে না।