শিরোনাম :
সাপ্তাহিক আলোর মনি পত্রিকার অনলাইন ভার্সনে আপনাকে স্বাগতম। # সারাবিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পড়তে আমাদের সঙ্গেই থাকুন। -ধন্যবাদ।
শিরোনাম :
লালমনিরহাটে ১৯জন জাল সনদধারী শিক্ষকতা করছেন

লালমনিরহাটে ১৯জন জাল সনদধারী শিক্ষকতা করছেন

রংপুর বিভাগে ১শত ৯৩জন জাল সনদ দিয়ে শিক্ষকতা করছেন তন্মধ্যে লালমনিরহাট জেলায় রয়েছে ১৯জন শিক্ষক। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন ও নিরীক্ষা বিভাগ (ডিআইএ) এই প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।

 

ডিআইএ ২০১৩, সাল থেকে ২০২২ সালের মে পর্যন্ত সারা দেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন ও নিরীক্ষা করে একটি প্রতিবেদন তৈরী করে, সারাদেশে ১হাজার ১শত ৫৬জন শিক্ষকের শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদ ভুয়া বলে তথ্য পেয়েছে। জাল সনদে চাকুরি নেওয়া এসব শিক্ষকের গ্রহণকৃত বেতনের টাকা ফেরত নেবার জন্য শিক্ষা মন্ত্রণালয়কে সুপারিশ করে ডিআইএ।

 

জাল সনদে চাকুরি নেওয়া এমপিওভুক্তি হওয়া শিক্ষক দের কাছে মোট কতটাকা ফেরত নেবার জন্য সুপারিশ করা হয়েছে তা জানা যায়নি।

 

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ সংস্থা ডিআইএ শিক্ষার গুণগত মানোন্নয়নে এবং আর্থিক সচ্ছতা আনতে, দেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো পরিদর্শন ও নিরীক্ষা করে প্রয়োজনীয় সুপারিশ করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে।

 

ডিআইএর পরিচালক অধ্যাপক অলিউল্লাহ আজমতগীর সাংবাদিকদের বলেন, ডিআইএর পক্ষ থেকে নিরীক্ষা প্রতিবেদন জমা দেওয়া হয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে, পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করবে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

 

দেশের বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক নিয়োগে একসময় পরিচালনা ম্যানেজিং কমিটির একচ্ছত্র ক্ষমতা ছিল, এখন এনটিআরসির মাধ্যমে কেন্দ্রীয়ভাবে পরীক্ষার নিয়োগ দেওয়া হয়ে থাকে। বর্তমানে শিক্ষক নিয়োগে এনটিআরসির নিবন্ধন বাধ্যতামূলক।

 

ডিআইএ’র প্রতিবেদনে উঠে আসে ১হাজার ১শত ৫৬জন শিক্ষক জাল সনদ দিয়ে শিক্ষকতা করছেন। তাদের মধ্যে ৭শত ৯৩জন এনটিআরসির জাল সনদ ধারী, ২শত ৯৬জন কম্পিউটার শিক্ষার সনদ জাল এবং ৬৭জন বিএড গ্রন্থাগার, শারীরিক বিদ্যা ও অন্যান্য বিষয়ে জাল সনদ ধারী।

ডিআইএ’র প্রতিবেদন অনুযায়ী রংপুর ও রাজশাহী বিভাগ মিলে ৪শত ৪৩জন জাল সনদ ধারী শিক্ষক রয়েছে, রাজশাহী বিভাগে ২শত ৫০জন এবং রংপুরে ১শত ৯৩জন শিক্ষক জাল সনদ ধারী। রংপুর বিভাগে ১শত ৯৩জনের মধ্যে স্কুল শিক্ষক ও মাদ্রাসার শিক্ষক রয়েছেন।

 

ডিআইএ র তথ্য অনুযায়ী লালমনিরহাট জেলায় ১৯জন শিক্ষক রয়েছে জাল সনদ ধারী, যারা এনটিআরসির সনদ জালসহ অন্যান্য বিষয়ে জাল সনদ প্রদর্শন করে শিক্ষকতা করছেন। লালমনিরহাট সদর উপজেলায় রয়েছেন ৮জন হাতীবান্ধা উপজেলায় ৮জন এবং কালীগঞ্জ উপজেলা রয়েছে ৩জন শিক্ষক।

 

ডিআইএ এসব শিক্ষকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণে শিক্ষা মন্ত্রনালয়ে সুপারিশ করেছেন, শিক্ষা মন্ত্রণালয় খুব শীর্ঘই এসব শিক্ষকের বিরুদ্ধে শাস্তিমুলক ব্যবস্থাসহ বেতন এর টাকা ফেরত নিতে ব্যাবস্থা গ্রহন করবে বলে নির্ভর যোগ্য সূত্র নিশ্চিত করেছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন




এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা ও ছবি অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি
Design & Developed by Freelancer Zone