শিরোনাম :
সাপ্তাহিক আলোর মনি পত্রিকার অনলাইন ভার্সনে আপনাকে স্বাগতম। # সারাবিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পড়তে আমাদের সঙ্গেই থাকুন। -ধন্যবাদ।
শিরোনাম :
প্রেসক্লাব লালমনিরহাটের নতুন সদস্য ২০জনের চুড়ান্ত অনুমোদন শব্দহীন কবিতার অবয়ব ভাটিবাড়ী লোকনাট্য দলের আহবায়ক কমিটি গঠন অনুষ্ঠিত মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত পাটগ্রাম তাহেরা বিদ্যাপীঠে বার্ষিক ক্রীড়া, সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত লালমনিরহাট কেন্দ্রীয় শহিদ মিনার মাতৃভাষা দিবসের শ্রদ্ধা জানাতে প্রস্তুত সুলতানুল আউলিয়া, ইনসানে অলীয়ে কামেল হযরত শাহ্ নওগজি (রহঃ) এর বাৎসরিক মহা পবিত্র ওরছ মোবারক লালমনিরহাটে নবনির্বাচিত জাতীয় সংসদ সদস্য অ্যাড. মোঃ মতিয়ার রহমান এর সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত লালমনিরহাট চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রির পরিচালক পদের ২১টি মনোনয়নপত্র জমা ভাটিবাড়ী আদর্শ ইজিবাইক মালিক কল্যাণ সমিতির নব নির্বাচিত সভাপতি/ সম্পাদকসহ কার্যকরী পরিষদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত
ইট-পাথরের খুঁটি নির্মাণ করে ভাগ্য বদল লালমনিরহাটের তরুণ-যুবকদের

ইট-পাথরের খুঁটি নির্মাণ করে ভাগ্য বদল লালমনিরহাটের তরুণ-যুবকদের

লালমনিরহাটে বাণিজ্যিকভাবে ইট-পাথরের খুঁটি তৈরি করে আর্থিক স্বচ্ছলতা এনেছেন ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র উদ্যোক্তারা।
লালমনিরহাট জেলার ৫টি (লালমনিরহাট সদর, আদিতমারী, কালীগঞ্জ, হাতীবান্ধা, পাটগ্রাম) উপজেলায় স্বল্প পরিসরে খুঁটি তৈরি করে নিজেদের ভাগ্য বদলে ফেলেছেন অনেকেই।
লালমনিরহাটের বিভিন্ন হাট-বাজারের পাশে রয়েছে পাথর ও ইটের খুঁটি তৈরির ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র কারখানাগুলো। দেশের অর্থনীতি ও অন্যের বাড়িতে মজুরির কথা চিন্তা করেই খুঁটি তৈরি করার পরিকল্পনা আসে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের। তাদের কারখানায় কর্মসংস্থান হয়েছে হাজারও শ্রমজীবি সাধারণ মানুষের।
এছাড়াও ইট-পাখরের খুঁটির পাশাপাশি রিং-স্লাবও তৈরি করা হচ্ছে এসব কারখানায়। আর এসব কারখানায় উদ্যোক্তাদের সাথে কাজ করে ভাগ্যের পরিবর্তন করেছেন অনেকেই।
এসব ইট-পাথরের খুঁটি খুচরা ও পাইকারী দরে বিক্রি হয় থাকে। এগুলো লালমনিরহাট জেলাসহ পার্শ্ববর্তী জেলায় যায়। কোন কোন এলাকায় চার কোণার খুঁটি ও কোন এলাকায় গোল খুঁটির চাহিদা বেশি।
উদ্যোক্তা নুরুজ্জামান বলেন, প্রথম খুঁটি তৈরি শুরু করি। পাশাপাশি এখন রিং-স্লাবও তৈরি করছি। এখন আমার সাথে কাজ করে অনেকে জীবিকা নির্বাহ করছেন। এটাই আমার সফলতা।
মোগলহাট ইউনিয়ন পরিষদের ৯নং ওয়ার্ডের সদস্য আব্দুর রহিম জানান, ক্ষুদ্রশিল্পে তরুণ ও যুব উদ্যোক্তাদের এ কাজটি নিঃসন্দেহে এলাকার উন্নয়ন ও দেশের অর্থনীতিতে অবদান রাখছে। যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নের ফলে অনেক ক্ষুদ্র ব্যবসার সম্প্রসারণ ঘটেছে। কিছু কিছু অপ্রচলিত কিন্তু প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র আছে। সেগুলোর ব্যবসা করেও স্বাবলম্বী হওয়া সম্ভব। ইট-পাথরের খুঁটিও তেমনই একটি। ঘর-বাড়ি তৈরিতে প্রচলিত বাঁশের পরিবর্তে এসব খুঁটি টেকসই ও দীর্ঘস্থায়ী। সরকারি ভাবে অনেক গৃহহীনকে ঘর-বাড়ি করে দেয়া হয়েছে, সেখানেও এসব খুঁটির ব্যবহার হয়েছে। তাছাড়া ঘেরা-বেড়া এবং সৌখিন বাগান করতে ইট-পাথরের খুঁটি লাগছে। অর্থনৈতিক স্বচ্ছলতা ও কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে এসব অপ্রচলিত, ব্যবহার্য ও লাভজনক পণ্য তৈরির কাজে তরুণ-যুবকদেরই এগিয়ে আসতে হবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন




এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা ও ছবি অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি
Design & Developed by Freelancer Zone