শিরোনাম :
সাপ্তাহিক আলোর মনি পত্রিকার অনলাইন ভার্সনে আপনাকে স্বাগতম। # সারাবিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পড়তে আমাদের সঙ্গেই থাকুন। -ধন্যবাদ।
শিরোনাম :
আয়কর আইন আনীত পরিবর্তন সমূহের উপর মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত মাদক বিরোধী বিশেষ অভিযানে ভারতীয় ইস্কাপ সিরাপসহ ২জন আটক রবি মৌসুমের সবজিতে স্বপ্ন দেখছেন চাষিরা জুয়া খেলায় নিষেধ করায় কলেজ শিক্ষকের ওপর হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত কৃষকেরা রোপা-আমন ধান চাষে ব্যস্ত সময় পার করছে দলিল লেখক সমিতির ত্রি-বার্ষিক নির্বাচন সম্পন্ন: সভাপতি সিরাজুল ও সাধারণ সম্পাদক হামিদুর ইস্কাপ সিরাপসহ মোটর সাইকেল এবং বিভিন্ন মালামাল জব্দ অনলাইন জুয়ার প্রতিবাদ করায় কলেজ শিক্ষককে কুপিয়ে জখম : সেই শিক্ষকের ৮দিনেও জ্ঞান ফেরেনি গ্রাম-বাংলার ঐতিহ্য মৃৎ শিল্প হারিয়ে যাচ্ছে ‎যানজটে নাকাল লালমনিরহাটের শহরবাসী
লালমনিরহাটে বিলুপ্তির পথে আটিয়া কলা গাছ

লালমনিরহাটে বিলুপ্তির পথে আটিয়া কলা গাছ

আলোর মনি ডটকম ডেস্ক রিপোর্ট: লালমনিরহাট জেলার দেশী আটিয়া কলা মোটা ও লম্বা হয়। এ কলায় অনেক ভিটামিন ও প্রোটিন রয়েছে।

 

লালমনিরহাটের গ্রামগঞ্জে এখনো প্রচলিত রয়েছে, আটিয়া কলা ও চিড়া খেলে পাতলা পায়খানা কমে যায়।

 

লালমনিরহাট জেলার লালমনিরহাট সদর উপজেলার মোগলহাট ইউনিয়নের ফুলগাছ গ্রামের মোঃ হযরত আলী বলেন, দেশি আটিয়া কলা এক সময়ের জনপ্রিয় খাবার ছিল। আমি ছোট থেকে প্রতিদিন সকালে দেশী আটিয়া কলা দিয়ে ভাত খেতাম।

 

কুলাঘাট ইউনিয়নের খাটামারী গ্রামের হাসান আলী বলেন, যদি কারো পাতলা পায়খানা হয় তাহলে দেশী আটিয়া কলা আর দুধ, চিড়া খেলে ভাল হয়ে যায়।

 

কলা ব্যবসায়ী তরফ আলী বলেন, দেশী আটিয়া কলা এখন খুবই কম পাওয়া যায়। কিছু কিছু গ্রামে আটিয়া কলা পাওয়া যায়। তবে আগে অনেক পাওয়া যেত এখন তা কমে এসেছে। তবে এখনো কিছু কিছু গ্রামের মানুষ এই কলা খোঁজ করে।

 

ফুলগাছ গ্রামের সাহেব আলী বলেন, আমি আমার জমিতে এ আটিয়া কলার চাষ করেছি। এতে জমির ভাঙ্গণ কমে যায় শিখরের কারণে।

 

জানা যায়, একটি বড় মাপের কলা খেলে ১০০ ক্যালরির বেশি শক্তি পাওয়া যায়। কলাতে রয়েছে সহজে হজমযোগ্য শর্করা। শর্করা পরিপাকতন্ত্রকে সহজে হজম করতে সাহায্য করে।

 

গবেষকেরা বলছেন, আটিয়া কলা রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ এবং স্বাভাবিক রক্তপ্রবাহ নিশ্চিত করে। এ কলায় প্রচুর পরিমাণে পটাসিয়াম রয়েছে।

 

ফুলগাছ ব্লকের উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা সেলিম বলেন, এ কলার বিচি বেশি হওয়ার কারণে কেউ বাণিজ্যিকভাবে চাষ করে না। তবে গ্রামের বাড়ির আশে-পাশে এ কলার গাছ দেখা যায়‌। বাণিজ্যিকভাবে চাষ করলে আটিয়া কলা টিকিয়ে রাখা সম্ভব।

সংবাদটি শেয়ার করুন




এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা ও ছবি অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি
Design & Developed by Freelancer Zone