শিরোনাম :
সাপ্তাহিক আলোর মনি পত্রিকার অনলাইন ভার্সনে আপনাকে স্বাগতম। # সারাবিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পড়তে আমাদের সঙ্গেই থাকুন। -ধন্যবাদ।
শিরোনাম :
সোনালী ব্যাংক পিএলসি কালীগঞ্জ শাখার এটিএম বুথ ও সিআরএমের শুভ উদ্বোধন অনুষ্ঠিত ১৫ বিজিবি’র অভিযানে ভারতীয় স্বর্ণ কাতান শাড়ি জব্দ সেবা সংযোগ মেলা-২০২৫ শুভ উদ্বোধন অনুষ্ঠিত জন্মান্ধ হাফেজা খাদিজা খাতুনকে “খাদিজা ভবন” হস্তান্তর অনুষ্ঠিত ১৫ বিজিবি’র অভিযানে ভারতীয় ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট, ফেন্সিডিল ও ইস্কাফ সিরাপ এবং মদ জব্দ বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া’র আশু রোগমুক্তি ও সুস্থতা কামনায়- দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত ‘সুলতানার স্বপ্ন’ এবং রোকেয়ার বিবিধ সমাজভাবনা- আমাদের সময়ের লড়াই আলোচনা অনুষ্ঠিত ১৫ বিজিবি’র মতবিনিময় সভা ও শীতবস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক ‍দুর্নীতিবিরোধী দিবস উপলক্ষে কুইজ প্রতিযোগিতা ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত ডিপ্লোমা মেডিকেল এসোসিয়েশনের স্মারকলিপি প্রদান অনুষ্ঠিত

গো-খাদ্যের তীব্র সংকট

Exif_JPEG_420

লালমনিরহাট জেলার ৫টি (লালমনিরহাট সদর, আদিতমারী, কালীগঞ্জ, হাতীবান্ধা, পাটগ্রাম) উপজেলার ৪৫টি ইউনিয়ন ও ২টি (লালমনিরহাট, পাটগ্রাম) পৌরসভায় বর্তমান সময়ে গবাদি পশু পালনকারী কৃষকদের সংরক্ষিত গো-খাদ্যের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে।

 

কৃষকদের সাথে কথা বলে জানা যায়, গবাদি পশু পালন করতে গেলে গো-খাদ্য মজুদ থাকতে হয়। কিন্তু এবারে বন্যায় গো-খাদ্য (পোয়াল) পচে যাওয়ায় এ কৃত্রিম সংকট। এখন বিভিন্ন জায়গা থেকে তা সংগ্রহ করা হচ্ছে। কিন্তু বেশি টাকা দিয়ে কিনতে হচ্ছে। সামনে আগাম জাতের ধান কাটা হলে এ সংকট থাকবে না।

 

সংশ্লিষ্টরা জানায়, চলতি মৌসুমে বড় খামারিরা গরুর জন্য সবুজ ঘাস লাগালেও ক্ষুদ্র খামারিরা শুকনো খড়ের ওপর নির্ভর করেন। এ বছর বন্যা আর বৃষ্টির কারণে অনেক কৃষকের খড়ের গাদা পানিতে নষ্ট হয়ে গেছে।

 

চর খাটামারী গ্রামের ক্ষুদ্র খামারি এস এম হাসান আলী জানান, গরুর জন্য যে খড় রাখা হয়েছিল, তা পানিতে নষ্ট হয়ে গেছে। এখন খড় কিনে খাওয়াতে হচ্ছে। একটা গরুর একদিনের খড় কিনতে ২০/৩০ টাকা লাগে।

 

খড় ব্যবসায়ী বলেন, এ সময় খড়ের চাহিদা একটু বেশি থাকে। তাই বিভিন্ন এলাকা থেকে শুকনো খড় পাইকারি কিনে বাজারে খুচরা বিক্রি করছি। একটি আঁটি ৩টাকা ক্রয় করে ৪ থেকে ৫টাকা বিক্রয় করে থাকি।

 

ফুলগাছ গ্রামের মোঃ হযরত আলী জানান, মাঠে ধানক্ষেত থাকায় গরু নিয়ে যাওয়া সম্ভব নয়। এছাড়া, ধানের গুঁড়া, ভুষি ও ভুট্টার গুঁড়ার দাম বেড়েছে কয়েকগুন। তাই এ সময় শুকনো খড়ই ক্ষুদ্র খামারিদের একমাত্র ভরসা। তবে, বন্যা আর অতিবৃষ্টির কারণে শুকনো খড়েরও সংকট সৃষ্টি হয়েছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন




এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা ও ছবি অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি
Design & Developed by Freelancer Zone