শিরোনাম :
সাপ্তাহিক আলোর মনি পত্রিকার অনলাইন ভার্সনে আপনাকে স্বাগতম। # সারাবিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পড়তে আমাদের সঙ্গেই থাকুন। -ধন্যবাদ।
বাঁশশিল্পীরা অন্য পেশায় ঝুঁকছেন

বাঁশশিল্পীরা অন্য পেশায় ঝুঁকছেন

বিলুপ্তির পথে লালমনিরহাটের বাঁশ নির্ভর কুটির শিল্প। বাঁশের দাম বৃদ্ধি, অর্থের অভাব, তৈরি জিনিসের দাম কম, প্লাস্টিক সামগ্রীর সহজলভ্যতা সবমিলিয়ে বন্ধ হতে চলেছে বাঁশ নির্ভর কুটির শিল্প। বাপ-দাদার এ পেশা ছেড়ে সংসার চালাতে অন্য পেশার দিকে ঝুঁকছে অনেকে।

 

লালমনিরহাট জেলার ৫টি (লালমনিরহাট সদর, আদিতমারী, কালীগঞ্জ, হাতীবান্ধা, পাটগ্রাম) উপজেলার ৪৫টি ইউনিয়ন, ২টি (লালমনিরহাট, পাটগ্রাম) পৌরসভার বিভিন্ন গ্রামের পরিবারগুলো বাপ-দাদার আমল থেকে এ পেশায় নিয়োজিত। বাঁশ দিয়ে গৃহস্থলির বিভিন্ন উপকরণ তৈরি করে জীবিকা নির্বাহ করে তারা।

 

কৃষিকাজে ব্যবহৃত এসব উপকরণের মধ্যে কুলা, ডালি, টুপরি, ঠালা, চালনা, চাঁটাই, ডোল, বের, ঝাড়ু ইত্যাদি পণ্য তৈরি করে স্থানীয় হাট-বাজারে বিক্রি করে স্বাছন্দ্যে চলতো তাদের সংসার। মাঝে মধ্যে জেলার বাইরে যেত তাদের নিপুণ হাতেবোনা এসব পণ্য। বর্তমানে বাঁশের দাম বৃদ্ধি বাঁশের জায়গায় প্লাস্টিক সামগ্রীর স্থান দখল কাল হয়ে দাঁড়িয়েছে তাদের। এ পেশায় আগের মতো আয় না আসায় চলছে না তাদের সংসারের চাকা। তাই বাধ্য হয়েই দিনমজুরের কাজ নিয়েছে অনেকে। অন্য কাজ পারে না এমন পুরুষ, নারী এবং স্কুল বয়সী ছেলেমেয়েরা পেটের দ্বায়ে চালিয়ে যাচ্ছে এ কাজ। ধানের মৌসুমে এসব পণ্যের চাহিদা বেশি হলেও এবারে চাহিদা তুলনামূলক কম। ধানের দাম কম হওয়ায় এসব পণ্যের চাহিদাও কম।

 

জানা যায়, বাঁশের কাজে আগের মতো আর লাভ হয় না। একটি বাঁশ ১শত থেকে ১শত ৫০টাকায় কিনে দুদিন খেটে যে পন্য তৈরি করা হয় তার বাজার দামে অনেক লোকসান হয়। এ শিল্পের বিকাশ ও মান উন্নয়নে প্রয়োজন শুধু সরকারি ও বেসরকারি সংস্থার অনুদান, প্রশিক্ষণ এবং পৃষ্ঠপোষকতা।

সংবাদটি শেয়ার করুন




এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা ও ছবি অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি
Design & Developed by Freelancer Zone