শিরোনাম :
সাপ্তাহিক আলোর মনি পত্রিকার অনলাইন ভার্সনে আপনাকে স্বাগতম। # সারাবিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পড়তে আমাদের সঙ্গেই থাকুন। -ধন্যবাদ।
শিরোনাম :
লালমনিরহাট সীমান্তে অবৈধ অনুপ্রবেশ ঠেকাতে ১৫ বিজিবি’র বাড়তি সতর্কতা জারি এবং টহল জোরদার বৃদ্ধের ওপর বর্বরতা, গাছে বেঁধে মধ্যযুগীয় কায়দায় নির্যাতন ত্রাণের টিন ও অনুদানের টাকা ফেরত দিলেন বিএনপির নেতাসহ স্বচ্ছল পরিবারের ৪জন মরিচ চাষ বাড়ছে র‌্যাবের অভিযানে ৯৩.৫কেজি গাঁজা জব্দসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার ১৫ বিজিবি’র মাদক বিরোধী বিশেষ অভিযানে ভারতীয় গাঁজাসহ ১জন আসামী আটক পাট শাক চাষে ঝুঁকছেন কৃষকেরা ১৫ বিজিবি’র চোরাচালান বিরোধী বিশেষ অভিযানে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় প্যান্ট পিছ জব্দ রংপুর ও লালমনিরহাটে ২টি ইটভাটাকে ৭লক্ষ টাকা জরিমানা ও ১টি চিমনি ধ্বংস সর্পদংশ‌নে শিশুর মৃত্যু
প্রেমের ডাকে সারাদিতে গিয়ে গণধর্ষণের শিকার হলেন তরুণী

প্রেমের ডাকে সারাদিতে গিয়ে গণধর্ষণের শিকার হলেন তরুণী

হেলাল হোসেন কবির: লালমনিরহাট জেলা সদরের বড়বাড়ি এলাকার তেঁতুলতলায় প্রেমিকের ডাকে সারা দিয়ে ঘুরতে গিয়ে এক তরুণী সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হয়েছেন। এ ঘটনায় ২জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

 

জানা যায়, লালমনিরহাট সদরে কুলাঘাট ইউনিয়নের চর খাটামারির তছির (ছদ্মনাম) এর ১৮বছর বয়সি নাতনির সাথে বড়বাড়ি ইউনিয়নের পশ্চিম শিবরাম গ্রামের আব্দুল খালেকের ছেলে আতিকুর রহমান (২২) এর সাথে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে।

 

পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে আরও জানা যায়, গত ২৬ জুলাই ওই তরুণীকে আতিকুর বড়বাড়ি ইউনিয়নের তেঁতুলতলা নয়া দিঘী এলাকায় বেড়াতে নিয়ে গিয়ে সুযোগ বুঝে পাট ক্ষেতে প্রেমিক তরুণীকে ধর্ষণ করে। তারপর পাশের ডলি নামের এক বাড়িতে রেখে দেয়। পরে একই এলাকার শামসুলের ছেলে হামিদুর (৩৫), মোতালেবের ছেলে একরাস (২৯) ও মনছার কসাইয়ের ছেলে জসিম (২৩)সহ আরও ২জনকে ইশারা দেন আতিকুর।

আতিকুর সেই তরুণীকে ডলির বাড়ি থেকে বাহির করে ফাঁকা জায়গায় নিয়ে যায়। আতিকুরের ইশারা মতো বাকি তরুণরা সেই তরুণীকে পাশের আর এক পাট ক্ষেত নিয়ে গিয়ে গণধর্ষণ করে। সেখানে তরুণীকে রেখে প্রেমিক আতিকুর পালিয়ে যায়।

 

গণধর্ষণের পর বাকি তরুণরা সেই তরুণীকে বড়বাড়ি শিমুল তলার দিকে নিয়ে আসতে থাকে। পরে এলাকাবাসীর সন্দেহ হলে তাদের আটক করার চেষ্টা করে। তখন তরুণীকে রেখে সবাই পালিয়ে যায়, এলাকাবাসী ৯৯৯ ফোন দিলে লালমনিরহাট সদর থানার পুলিশ ঘটনা স্থানে গিয়ে তরুণীকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেন।

 

এদিকে ওই তরুণীর মা বাদি হয়ে লালমনিরহাট সদর থানায় একটি মামলা করে।

 

লালমনিরহাট সদর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) শহিদুল ইসলাম জানান, ৯৯৯ এ ফোন পাওয়ার পর মেয়েটা উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ৩নম্বর আসামি একরাস ও ৪নম্বর আসামি জসিমকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বাকিদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন




এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা ও ছবি অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি
Design & Developed by Freelancer Zone