শিরোনাম :
সাপ্তাহিক আলোর মনি পত্রিকার অনলাইন ভার্সনে আপনাকে স্বাগতম। # সারাবিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পড়তে আমাদের সঙ্গেই থাকুন। -ধন্যবাদ।
শিরোনাম :
তিস্তার পানি কমলেও বন্যা পরিস্থিতির অবনতি, পানিবন্দী হয়ে পড়েছে মানুষ টেকসই উন্নয়ন ও প্রাতিষ্ঠানিক সুশাসন: তরুণ সংগঠকদের করণীয় শীর্ষক কর্মশালা অনুষ্ঠিত ভারতীয় গাঁজা এবং ইস্কাপ সিরাপ জব্দ তিস্তার পানি আবারও বিপদসীমার ৭সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত কনফিডেন্স ডিজিটাল ডায়াগনস্টিক এন্ড কনসালটেশন সেন্টারের শুভ উদ্বোধন অনুষ্ঠিত এইচ,এস,সি (বিএমটি) শিক্ষাক্রমে ফাইনাল পরীক্ষার্থীদের বিদায় অনুষ্ঠান ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত চাচার লাঠির আঘাতে ভাতিজার মৃত্যু মাদক ব্যবসায়ীদের হামলায় ২ পুলিশ কর্মকর্তা আহত; আশঙ্কাজনক অবস্থা এসআই রুহুল আন্তর্জাতিক মাদকবিরোধী দিবস উপলক্ষে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত চাঞ্চল্যকর হত্যা মামলার প্রধান আসামি গ্রেফতার
প্রেমের ডাকে সারাদিতে গিয়ে গণধর্ষণের শিকার হলেন তরুণী

প্রেমের ডাকে সারাদিতে গিয়ে গণধর্ষণের শিকার হলেন তরুণী

হেলাল হোসেন কবির: লালমনিরহাট জেলা সদরের বড়বাড়ি এলাকার তেঁতুলতলায় প্রেমিকের ডাকে সারা দিয়ে ঘুরতে গিয়ে এক তরুণী সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হয়েছেন। এ ঘটনায় ২জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

 

জানা যায়, লালমনিরহাট সদরে কুলাঘাট ইউনিয়নের চর খাটামারির তছির (ছদ্মনাম) এর ১৮বছর বয়সি নাতনির সাথে বড়বাড়ি ইউনিয়নের পশ্চিম শিবরাম গ্রামের আব্দুল খালেকের ছেলে আতিকুর রহমান (২২) এর সাথে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে।

 

পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে আরও জানা যায়, গত ২৬ জুলাই ওই তরুণীকে আতিকুর বড়বাড়ি ইউনিয়নের তেঁতুলতলা নয়া দিঘী এলাকায় বেড়াতে নিয়ে গিয়ে সুযোগ বুঝে পাট ক্ষেতে প্রেমিক তরুণীকে ধর্ষণ করে। তারপর পাশের ডলি নামের এক বাড়িতে রেখে দেয়। পরে একই এলাকার শামসুলের ছেলে হামিদুর (৩৫), মোতালেবের ছেলে একরাস (২৯) ও মনছার কসাইয়ের ছেলে জসিম (২৩)সহ আরও ২জনকে ইশারা দেন আতিকুর।

আতিকুর সেই তরুণীকে ডলির বাড়ি থেকে বাহির করে ফাঁকা জায়গায় নিয়ে যায়। আতিকুরের ইশারা মতো বাকি তরুণরা সেই তরুণীকে পাশের আর এক পাট ক্ষেত নিয়ে গিয়ে গণধর্ষণ করে। সেখানে তরুণীকে রেখে প্রেমিক আতিকুর পালিয়ে যায়।

 

গণধর্ষণের পর বাকি তরুণরা সেই তরুণীকে বড়বাড়ি শিমুল তলার দিকে নিয়ে আসতে থাকে। পরে এলাকাবাসীর সন্দেহ হলে তাদের আটক করার চেষ্টা করে। তখন তরুণীকে রেখে সবাই পালিয়ে যায়, এলাকাবাসী ৯৯৯ ফোন দিলে লালমনিরহাট সদর থানার পুলিশ ঘটনা স্থানে গিয়ে তরুণীকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেন।

 

এদিকে ওই তরুণীর মা বাদি হয়ে লালমনিরহাট সদর থানায় একটি মামলা করে।

 

লালমনিরহাট সদর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) শহিদুল ইসলাম জানান, ৯৯৯ এ ফোন পাওয়ার পর মেয়েটা উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ৩নম্বর আসামি একরাস ও ৪নম্বর আসামি জসিমকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বাকিদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন




এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা ও ছবি অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি
Design & Developed by Freelancer Zone