লালমনিরহাটের আদিতমারী উপজেলার আলোচিত শিশু নন্দিনী হত্যা মামলার ৩ নম্বর আসামি শ্রীমতি মমতা রানীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
মঙ্গলবার (৩০ জুন) দুপুরের পর তাকে লালমনিরহাটের বিজ্ঞ আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেন আদিতমারী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ নাজমুস সাকিব সজিব।
এর আগে, সোমবার (২৯ জুন) গভীর রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আদিতমারী থানা পুলিশের একটি বিশেষ দল লালমনিরহাট সদর উপজেলার গোকুন্ডা ইউনিয়নের কালিরপাট এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করে।
গ্রেফতারকৃত মমতা রানী ওই মামলার প্রধান আসামি বিধান চন্দ্রের মা এবং ফলিমারী গ্রামের রঞ্জিত চন্দ্রের স্ত্রী।
আদিতমারী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ নাজমুস সাকিব সজিব গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, চাঞ্চল্যকর এই হত্যা মামলার আসামিদের আইনের আওতায় আনতে পুলিশ তৎপর ছিল। গ্রেফতারকৃত আসামিকে বিধি মোতাবেক আদালতে সোপর্দ করা হলে বিজ্ঞ আদালত তাকে জেলহাজতে প্রেরণের নির্দেশ দেন।
উল্লেখ্য যে, গত ১৬ জুন লালমনিরহাটের আদিতমারী উপজেলার ভেলাবাড়ি ইউনিয়নের ফলিমারী গ্রামে একটি ভুট্টাক্ষেত থেকে বস্তাবন্দি অবস্থায় নন্দিনী নামের ৭বছরের এক শিশুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নৃশংস এই হত্যাকাণ্ডের খবর ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় তীব্র উত্তেজনা দেখা দেয় এবং ক্ষুব্ধ জনতার সাথে পুলিশের দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। শিশু নন্দিনী হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে এবং মামলার প্রধান আসামি বিধান চন্দ্র গ্রেফতার করে পুলিশ। ওই দিনই বিধান বাবা রঞ্জিত চন্দ্রকেও গ্রেফতার করে পুলিশ। সর্বশেষ মমতা রানী গ্রেফতার হওয়ায় এই মামলার এজাহারনামীয় অন্যতম প্রধান ৩ আসামিকে আইনের আওতায় আনল পুলিশ।