লালমনিরহাটের পাটগ্রামে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)র গুলিতে নিহত বাংলাদেশী নাগরিক আলী হোসেন (৪৯) এর মরদেহ ফেরত দেওয়া হয়েছে।
বুধবার (৮ এপ্রিল) রাত ৮টা ৫০মিনিটে সীমান্ত পিলার ৮৬৮/৩ এলাকায় ধবলগুড়ি বিওপির দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও বিএসএফ সদস্যদের উপস্থিতিতে ভারতীয় পুলিশ বাংলাদেশ পুলিশের কাছে মরদেহটি হস্তান্তর করে।
বিজিবি জানায়, লালমনিরহাটের পাটগ্রামের ধবলগুড়ি সীমান্তের পাশে প্রায় ২০মিনিট ব্যাপী বিজিবি ও বিএসএফের ব্যাটালিয়ন পর্যায়ের পতাকা বৈঠক হয়।
লালমনিরহাট তিস্তা ব্যাটালিয়ন (৬১ বিজিবি)র অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল সৈয়দ ফজলে মুনীম জানান, পতাকা বৈঠকে গুলি করে বাংলাদেশীকে হত্যার ঘটনায় প্রতিবাদ জানানো হয়। বিএসএফ এ হত্যাকাণ্ডে দুঃখ প্রকাশ করে।
তিনি আরও বলেন, বিএসএফ কমান্ড্যান্ট জানান যে চোরাচালানে জড়িতরা অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ করে বিএসএফ সদস্যকে আঘাত করে। বিএসএফ সদস্য আত্মরক্ষার্থে গুলি করলে এ অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে।
নিহত বাংলাদেশী আলী হোসেন লালমনিরহাটের পাটগ্রাম উপজেলার ধবলগুড়ি পূর্ব পানিয়ারটারী গ্রামের মৃত আব্দুল গফুরের ছেলে।
নিহতের ভাই আবদুল মালেক জানান, আমার ছোট ভাই কৃষি কাজ করত। অন্যের প্ররোচনায় পড়ে সে ভারতে গিয়েছিল। যারা নিয়মিতই চোরাচালানে জড়িত তারা পালিয়ে আসতে পারলেও মারা গেছে আমার ভাই। পুলিশ আমাদের কাছে মরদেহ হস্তান্তর করেছে। বুধবার রাতেই দাফন সম্পন্ন হয়েছে।
পাটগ্রাম থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) নাজমুল হক বলেন, বিজিবি ও বিএসএফের উপস্থিতিতে ভারতের পুলিশ মরদেহ হস্তান্তর করে।
উল্লেখ্য যে, এর আগে একই দিন ভোর রাতে লালমনিরহাটের পাটগ্রাম উপজেলার ধবলগুড়ি সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে আলী হোসেন নিহত হয়েছেন।