শিরোনাম :
সাপ্তাহিক আলোর মনি পত্রিকার অনলাইন ভার্সনে আপনাকে স্বাগতম। # সারাবিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পড়তে আমাদের সঙ্গেই থাকুন। -ধন্যবাদ।
শিরোনাম :
‎নারী শিক্ষায় গুরুত্ব দিতে হবে-মন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু এমপি শিক্ষার মান উন্নয়নে সরকারের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ সহযোগিতা দেওয়া হচ্ছে-মন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু এমপি জাতীয় মৎস্য পক্ষ উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত এস্কাফসহ ১জন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার মাদক বিরোধী বিশেষ অভিযানে ভারতীয় মাদকদ্রব্যসহ ১জন আটক সেতু নির্মাণসহ নানামুখী অবকাঠামোগত উন্নয়ন কাজ হাতে নেওয়া হয়েছে-মন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু এমপি বেগম খালেদা জিয়ার জন্মদিনে দোয়া, বৃক্ষরোপণ ও চিকিৎসাসেবা প্রদান পরিস্কার-পরিচ্ছন্ন অভিযান অনুষ্ঠিত ট্রাকচাপায় অটোরিকশার দুই যাত্রী নিহত, আহত-৩ মাদক বিরোধী বিশেষ অভিযানে ৭হাজার পিস ভারতীয় ইয়াবা ট্যাবলেট জব্দ
আশঙ্কাজনক হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে নারী শ্রমিকের সংখ্যা

আশঙ্কাজনক হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে নারী শ্রমিকের সংখ্যা

লালমনিরহাট জেলার ৫টি (লালমনিরহাট সদর, আদিতমারী, কালীগঞ্জ, হাতীবান্ধা, পাটগ্রাম) উপজেলার ৪৫টি ইউনিয়ন, ২টি (লালমনিরহাট, পাটগ্রাম) পৌরসভায় আশঙ্কাজনক হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে নারী শ্রমিকের সংখ্যা।

 

শ্রম বাজারে মজুরি প্রদানে বৈষম্য থাকলেও মূলত ঋণের কিস্তি পরিশোধের তাগিদে এক প্রকার বাধ্য হয়েই তারা সন্তান-সংসারের মায়া ত্যাগ করে শ্রম বিক্রি করছে।

 

লালমনিরহাট জেলার তিস্তা, ধরলা, রত্নাই, স্বর্ণামতি, শিংগীমারী, সানিয়াজান, ত্রিমোহনী, সাকোয়া, মরাসতি নদী, ধোলাই, গিদারী, ছিনাকাটা নদীগুলোর চরাঞ্চলে বসবাসকারী পরিবারগুলোর এ সমস্যা ব্যাপক আকারে দেখা দিয়েছে।

 

এক সময়ের অবস্থা সম্পন্ন এসব পরিবার নদী ভাঙনে নিঃস্ব হয়ে এসব নদীর কূলবর্তী এলাকাগুলোতে কোনোমতে মাথা গোঁজার ঠাঁই করে নিয়েছেন। শ্রম বিক্রিই তাদের জীবিকা নির্বাহের একমাত্র অবলম্বন।

 

বছরের বিভিন্ন সময়ে এলাকায় কোনো কাজ না থাকায় পরিবার প্রধানরা কাজের সন্ধানে ছুটে যান ঢাকা, চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন জেলায়।

 

তারপরও দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতিসহ নানা প্রতিকূলতার কারণে বেসরকারি সংস্থাগুলোর ঋণের জালে আবদ্ধ হয়ে পড়েছে পরিবারগুলো। এ কারণে লাজ-লজ্জা ভুলে এক রকম বাধ্য হয়েই নারীরা শ্রম বিক্রি করছেন মাঠে-ঘাটে।

 

অনুসন্ধানে জানা যায়, লালমনিরহাট জেলার সর্বত্র এখন চলছে ধান, সবজি ক্ষেত পরিচর্যার মহোৎসব। আর এসব কাজে নিয়োজিত রয়েছেন নারী শ্রমিকরা। প্রতিদিন সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত কাজের বিনিময়ে তারা মজুরি পান মাত্র ৩শত টাকা। সমপরিমাণ কাজের জন্য পুরুষ শ্রমিকদের মজুরি দেওয়া হয় ৪শত টাকা থেকে ৪শত ৫০টাকা।

 

নারী শ্রমিকরা জানান, প্রতি সপ্তাহে ঋণের কিস্তির টাকা দিতে হয়। এ জেলার সর্বত্র এমন কোন অভাবী পরিবার নেই যারা বেসরকারি সংস্থা (এনজিও) ক্ষুদ্রঋণ নেয়নি। কেউ কেউ একাধিক সংস্থার কাছেও ঋণ নিয়েছেন। প্রতি সপ্তাহে ৫শত টাকা থেকে ১হাজার টাকার উর্দ্ধে পর্যন্ত ঋণের কিস্তি জমা দিতে হয় তাদের।

সংবাদটি শেয়ার করুন




এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা ও ছবি অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি
Design & Developed by Freelancer Zone