শিরোনাম :
সাপ্তাহিক আলোর মনি পত্রিকার অনলাইন ভার্সনে আপনাকে স্বাগতম। # সারাবিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পড়তে আমাদের সঙ্গেই থাকুন। -ধন্যবাদ।
শিরোনাম :
‎নিধন বন্ধ থাকায় বেওয়ারিশ কুকুরের সংখ্যা বেড়েই চলছে ১৫ বিজিবি’র অভিযানে ৩০হাজার ৫০টাকার ভারতীয় গাঁজা এবং ইস্কাপ সিরাপ জব্দ ধর্ম অবমাননার অভিযোগে যুবক গ্রেফতার একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের নবীনবরণ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত ১৫ বিজিবি’র অভিযানে ১লক্ষ ৫৮হাজার ৮শত টাকার ভারতীয় ইস্কাপ সিরাপ এবং গাঁজাসহ মোটর সাইকেল জব্দ সিজারের কয়েক ঘণ্টা পর প্রসূতির মৃত্যু তরুণদের শুধু চাকরির প্রত্যাশী নয়, উদ্যোক্তা হিসেবেও গড়ে তুলতে হবে-মন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু এমপি বর্তমান সরকারের সহযোগিতায় ক্রীড়া ক্ষেত্রে প্রাণের সঞ্চার হয়েছে-মন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু এমপি পরিবেশ বান্ধব বায়োগ্যাস পল্লী পরিদর্শন করলেন যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক
রোপা-আমন ক্ষেত পরিচর্যায় ব্যস্ত কৃষক

রোপা-আমন ক্ষেত পরিচর্যায় ব্যস্ত কৃষক

চলতি রোপা-আমন মৌসুমের এ সময়ে ধান পরিচর্যা করছেন লালমনিরহাট জেলার কৃষক ও শ্রমিকরা। ইরি-বোরো শেষে রোপা-আমন চাষে কোমর বেঁধে মাঠে নামেন তারা। বর্তমানে ধান গাছের পরিচর্যায় যেন দম ফেলার সময় নেই তাদের।

 

কৃষি নির্ভর লালমনিরহাট জেলার ৫টি (লালমনিরহাট সদর, আদিতমারী, কালীগঞ্জ, হাতীবান্ধা, পাটগ্রাম) উপজেলার ৪৫টি ইউনিয়ন ও ২টি (লালমনিরহাট, পাটগ্রাম) পৌরসভার প্রায় ৮০ ভাগ মানুষের ফসল উৎপাদন ও পরিচর্যায় ব্যস্ত সময় কাটে।

 

গত ইরি-বোরো মৌসুমে বৈরী আবহাওয়ায় অনেক কৃষকের পাকা ধান নষ্ট হয়ে গেছে। তবে ধান ও খড় তেমন পাওয়া যায়নি। বর্তমানে ধানের দাম ভালো।

 

এতে লোকসান কাটিয়ে কোনো রকমে উৎপাদন খরচ জুটেছে কৃষকের কপালে। এমনটি বলছিলেন কোদালখাতা গ্রামের কৃষক কমল কান্তি বর্মন।

 

ইরি-বোরো কর্তন শেষে রোপা-আমন চাষে কোমর বেঁধে মাঠে নামেন কৃষক ও শ্রমিকরা। বাড়ির আশপাশে বিস্তীর্ণ রোপা-আমন ফসলের মাঠ, সবুজে সমারোহ। কেউ ধান গাছের আগাছা পরিস্কার করছেন। আবার কেউ সার ও কীটনাশক প্রয়োগ করছেন। সবুজ পাতায় বাতাসে দুলছে কৃষকের স্বপ্ন।

 

ফুলগাছ গ্রামের কৃষক হযরত আলী ভাষায় এ লালমনিরহাট জেলায় রোপা-আমনের বিভিন্ন জাতের ধান রোপণ করা হয়েছে। এরমধ্যে বেশির ভাগ জমিতে হাইব্রীড জাতের ধান চাষ করা হয়।

 

ধান গাছের চেহারায় তিনি মুগ্ধ। পোকার আক্রমণ থেকে রক্ষা পেতে উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তার পরামর্শে কীটনাশক প্রয়োগ ও আগাছা পরিস্কারে ব্যস্ত রয়েছেন আর সব কৃষকের মতো তিনিও।

 

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে প্রায় ৮০হাজার হেক্টর জমিতে রোপা-আমন চাষের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়।

 

উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা শহিদুল ইসলাম খন্দকার বলেন, আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে রোপা-আমন লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে কৃষক গোলায় উঠাবেন সোনার ফসল এমন প্রত্যাশায় আশাবাদি তিনি।

সংবাদটি শেয়ার করুন




এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা ও ছবি অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি
Design & Developed by Freelancer Zone