শিরোনাম :
সাপ্তাহিক আলোর মনি পত্রিকার অনলাইন ভার্সনে আপনাকে স্বাগতম। # সারাবিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পড়তে আমাদের সঙ্গেই থাকুন। -ধন্যবাদ।
শিরোনাম :
গ্রাম-বাংলার ঐতিহ্য মৃৎ শিল্প হারিয়ে যাচ্ছে ‎যানজটে নাকাল লালমনিরহাটের শহরবাসী ইস্কাপ সিরাপ এবং গাঁজাসহ মোটর সাইকেল জব্দ তিস্তা নদীর পানি আবারও বিপদসীমার ১সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষ্যে আলোচনা সভা ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে রচনা, আবৃত্তি, চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত ফেয়ারডিলসহ ১জন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার ৯৮ বোতল ফেনসিডিলসহ চার মাদক কারবারির ১০বছর কারাদণ্ড যুবকের মৃত্যু; মারধরের অভিযোগের পর আত্মহত্যার মামলা, রহস্য ঘনীভূত স্বর্ণকাতান শাড়ী ও গাঁজা এবং ইস্কাপ সিরাপ জব্দ
তিস্তা ব্যারেজ

তিস্তা ব্যারেজ

আলোর মনি ডটকম রিপোর্ট: তিস্তা ব্যারেজ (Teesta Barrage) বা তিস্তা সেচ প্রকল্প বাংলাদেশের সবচেয়ে বৃহত্তম সেচ প্রকল্প। তিস্তা নদীর উপর নির্মিত তিস্তা ব্যারেজের একপাশে আছে লালমনিরহাট জেলার হাতীবান্ধা উপজেলাধীন গড্ডিমারী ইউনিয়নের দোয়ানী গ্রাম এবং অন্য পাশে আছে নীলফামারী জেলার ডিমলা উপজেলাধীন খালিসা চাপানী ইউনিয়নের ডালিয়া নামক স্থান। রংপুর, দিনাজপুর, নীলফামারী ও বগুড়া জেলার অনাবাদী জমিতে সেচ সুবিধা প্রদানের জন্য ১৯৩৭খ্রিষ্টাব্দে তৎকালীন সরকার তিস্তা ব্যারেজ তৈরীর পরিকল্পনা গ্রহণ করে। পরবর্তীতে ১৯৭৯ সালে ৬১৫মিটার দৈর্ঘ্যের ৪৪রেডিয়াল গেট বিশিষ্ট ব্যারেজের নির্মাণ কাজ শুরু হয়, যা ১৯৯০ সালে শেষ হয়।

 

তিস্তা ব্যারেজের নদীর দুই পাশে গড়ে তোলা হয়েছে সবুজ বেষ্টনি। এছাড়াও ব্যারেজ এলাকায় রয়েছে কয়েকটি পিকনিক স্পট। ব্যারেজের কালো পিচের রাস্তা ধরে ছুটে চলা কিংবা চারপাশের পরিবেশের মনভোলানো সৌন্দর্য্য এখানে আগত দর্শনার্থীদের এক অলৌকিক মায়ায় কাছে টানে।

 

কিভাবে যাবেন : রাজধানী ঢাকা কিংবা অন্য শহর থেকে তিস্তা ব্যারেজ যেতে চাইলে আপনার সুবিধা মত নীলফামারী অথবা লালমনিরহাট জেলায় চলে যান। নীলফামারী থেকে তিস্তা পাড়ে যাওয়ার জন্য রিক্সা, স্কুটার এবং মোটরসাইকেল ভাড়ায় পাবেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন




এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা ও ছবি অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি
Design & Developed by Freelancer Zone