শিরোনাম :
সাপ্তাহিক আলোর মনি পত্রিকার অনলাইন ভার্সনে আপনাকে স্বাগতম। # সারাবিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পড়তে আমাদের সঙ্গেই থাকুন। -ধন্যবাদ।
শিরোনাম :
শিক্ষককে কুপিয়ে মারাত্মক জখম এবং হত্যার চেষ্টার মূলহোতা গ্রেফতার লালমনিরহাট জেলা স্কাউটসের নির্বাহী কমিটির সভা অনুষ্ঠিত মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস পদ্ধতিতে বিতরণ কার্যক্রম উদ্বোধন ও যুব সমাবেশ অনুষ্ঠিত ফেনসিডিল মামলায় ২জনের ১০বছরের সশ্রম কারাদণ্ড র‍্যাবের অভিযানে অবৈধ মাদকদ্রব্য ফেয়ারডিল এবং এস্কাফ উদ্ধার মাদক বিরোধী বিশেষ অভিযানে ভারতীয় মাদকদ্রব্যসহ ২জন আটক সাংবাদিকের ওপর হামলা; হত্যার হুমকি ‎এ এম রথবাড়ী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে ১১ শিক্ষক আর ২০০ শিক্ষার্থীর বিদ্যালয়ে এসএসসি পাসের হার ‘শূন্য’ বুদ্ধি প্রতিবন্ধী কিশোরীকে ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামিকে গ্রেফতার নেশা জাতীয় ইস্কাপ সিরাপ ও ইয়াবা ট্যাবলেট এবং হিরোইন জব্দ
লালমনিরহাট গণহত্যা দিবস স্মৃতিস্তম্ভ্য নির্মাণ করার দাবী

লালমনিরহাট গণহত্যা দিবস স্মৃতিস্তম্ভ্য নির্মাণ করার দাবী

আলোর মনি রিপোর্ট: লালমনিরহাট রেলওয়ে রিক্সা স্ট্যান্ডটিতে ১৯৭১ সালের ৪ এপ্রিল পাকিস্তানী হানাদার বাহিনী ও তার দোসররা নির্মমভাবে গণহত্যা চালিয়ে ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, কবি, সাহিত্যিক, বুদ্ধিজীবিসহ ৪শতাধিক নিরীহ বাঙ্গালীকে হত্যা করে। পরে স্থানীয়রা তাদের লাশগুলো পার্শ্ববর্তী রেলওয়ে পুকুরে নিয়ে গণকবর দেয়। কিন্তু হত্যাযজ্ঞের স্থানটিতে স্বাধীনতার ৪৯বছরেও সরকারি ভাবে নির্মিত হয়নি কোন স্মৃতিস্তম্ভ্য

জানা যায়, উর্দূভাষী বিহারী অধুষ্যিত লালমনিরহাট জেলা শহরে পশ্চিমা শোষক ও তাদের দোসরদের বাংলার মাটি থেকে চিরতরে উৎখাত করার দৃঢ় সংকল্পে চারিদিকে শ্লোগান উচ্চারিত হতে থাকে। লালমনিরহাট জেলা শহরে বিরাজ করতে থাকে টান টান উত্তেজনা। এদিকে ২৬ মার্চ স্বাধীনতার ডাক দেয়ার পর লালমনিরহাটে আরো উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। শুরু হয় পাকিস্তানী বাহিনী ও উর্দূভাষী বিহারী তথা অবাঙ্গালী কর্তৃক নির্মম হত্যাকান্ড এবং বাড়ি-ঘরে অগ্নিসংযোগসহ ব্যাপক ধ্বংসাত্মক কর্মকান্ড।

১৯৭১ সালের ৪ এপ্রিল সকাল ১০টায় জেলার রেলওয়ের ওভার ব্রীজের পশ্চিম পাড়ের রিক্সা ষ্ট্যান্ডে ডাঃ আব্দুর রহমান, ডাঃ মোক্তাদির, ডাঃ এ.জি আহমেদ, শহীদ মোফাজ্জল হোসেন ও রেলওয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ ৬শতাধিক লোককে ধরে এনে লাইন করে দাঁড় করিয়ে গুলি চালিয়ে নির্মম ভাবে হত্যা করে পাকিস্তানি সেনা ও তার এদেশীয় দোসর রাজাকার-আলবদররা। এদিকে সেই নির্মম হত্যাকান্ডের ৪৯বছর পেড়িয়ে গেলেও সেই হত্যাকান্ডের দোসর রাজাকার-আলবদরদের তালিকা এখনও তৈরি হয়নি। ফলে তাদের বিচারের আওতায় আনাও সম্ভব হয়নি।

বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ জেলা ইউনিট কমান্ডের সাবেক কমান্ডার মেজবাহ্ উদ্দিন আহমেদ জানান, সেই দিনের শহীদদের গণকবরটি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য সংরক্ষণ ও আধুনিকায়ন করা হয়েছে। আর হত্যাযজ্ঞের স্থানটিও ‘৭১-এর স্মৃতিচিহ্ন হিসেবে সংরক্ষণ করে গড়ে তোলা হবে। আর বর্তমান সরকার যুদ্ধপরাধীদের বিচার কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। অবিলম্বে সেই দিনের নরপিশাচদের চিহ্নিত করে বিচারের আওতায় আনা হবে।

লালমনিরহাট জেলার মুক্তিযোদ্ধা ও সাধারণ মানুষের দাবী এ হত্যাযজ্ঞের স্থানটিকে সংরক্ষিত করে শহীদদের স্মরণে ভবিষ্যত প্রজন্মের জন্য স্মৃতিস্তম্ভ্য নির্মাণ করা হোক।

সংবাদটি শেয়ার করুন




এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা ও ছবি অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি
Design & Developed by Freelancer Zone