শিরোনাম :
সাপ্তাহিক আলোর মনি পত্রিকার অনলাইন ভার্সনে আপনাকে স্বাগতম। # সারাবিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পড়তে আমাদের সঙ্গেই থাকুন। -ধন্যবাদ।
শিরোনাম :
তিস্তার পানি আবারও বিপদসীমার ৭সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত কনফিডেন্স ডিজিটাল ডায়াগনস্টিক এন্ড কনসালটেশন সেন্টারের শুভ উদ্বোধন অনুষ্ঠিত এইচ,এস,সি (বিএমটি) শিক্ষাক্রমে ফাইনাল পরীক্ষার্থীদের বিদায় অনুষ্ঠান ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত চাচার লাঠির আঘাতে ভাতিজার মৃত্যু মাদক ব্যবসায়ীদের হামলায় ২ পুলিশ কর্মকর্তা আহত; আশঙ্কাজনক অবস্থা এসআই রুহুল আন্তর্জাতিক মাদকবিরোধী দিবস উপলক্ষে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত চাঞ্চল্যকর হত্যা মামলার প্রধান আসামি গ্রেফতার বৃক্ষ শূন্যতাই ডেকে আনতে পারে পরিবেশ বিপর্যয়; প্রত্যেকেই হোন বৃক্ষপ্রেমী দৃষ্টিনন্দন বাবুই পাখির বাসা আজ বিলুপ্তির পথে অপপ্রচার ও শিষ্টাচারবহির্ভূত রাজনীতির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত
কালীগঞ্জে প্রশাসনের নীরবতায় চলছে তিস্তা নদী থেকে অবাধে বালু উত্তোলনের মহোৎসব

কালীগঞ্জে প্রশাসনের নীরবতায় চলছে তিস্তা নদী থেকে অবাধে বালু উত্তোলনের মহোৎসব

লালমনিরহাটের কালীগঞ্জ উপজেলায় তিস্তা নদী থেকে অবাধে চলছে বালু উত্তোলনের মহোৎসব। প্রশাসনের চোখের সামনেই দিনের পর দিন নদী কেটে বালু উত্তোলন করলেও দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ নেই বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, লালমনিরহাটের কালীগঞ্জ উপজেলার মহিপুর ব্রীজ এলাকা থেকে শুরু করে তুষভান্ডার বাজার পর্যন্ত অন্তত ১০টি ট্রাক্টর প্রতিদিন তিস্তা নদী থেকে বালু উত্তোলন করছে। একইভাবে কালীগঞ্জ বাজার থেকে ভোটমারী পর্যন্ত ৫টি পয়েন্টে প্রতিদিন প্রায় ৩০টি যানবাহনে বালু পরিবহন করা হচ্ছে।

অভিযোগ রয়েছে, কাকিনা রুদ্রেশ্বর সিরাজুল মার্কেট পয়েন্ট থেকে প্রতিনিয়ত ৫টি গাড়ি বালু বহন করছে। এছাড়া কাকিনা মহিষামুড়ি থেকে আমিনগঞ্জ বাজার পর্যন্ত আরও ৫টি গাড়ি নিয়মিত চলাচল করছে।

হাজিরহাট বাজার, সোনারদিঘির পাড়, কাশীরাম, মুন্সির বাজার ও তিস্তারপাড় এলাকায় অন্তত ১০টি গাড়ি প্রতিনিয়ত নদী থেকে বালু উত্তোলন করছে।

অন্যদিকে চৌধুরীরহাট বাজার সংলগ্ন এলাকা, ভুল্লারহাট সেনা কল্যাণ, পাওয়ার প্লান্ট এলাকা ও ভোটমারীর হাজরানিয়া বাজারের পশ্চিম পাশের তিস্তা নদীর পাড় থেকেও চলছে ব্যাপক বালু কাটা।

স্থানীয়দের দাবি, সবচেয়ে বেশি বালু উত্তোলন হচ্ছে কাশীরাম মুন্সির বাজার সংলগ্ন নদীপাড়, কাশীরামে জালাল মাস্টারের বাড়ির সামনের নদী এলাকা, চৌধুরীরহাট বাজার সংলগ্ন তিস্তা নদী এবং ভোটমারী সেনা ক্যাম্প ও পাওয়ার প্লান্ট এলাকার নদী অংশে।

এভাবে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের ফলে নদীর গতিপথ পরিবর্তন, ভাঙ্গন বৃদ্ধি এবং পরিবেশের মারাত্মক ক্ষতির আশঙ্কা করছেন সচেতন মহল। তাদের অভিযোগ, প্রশাসনের কার্যকর নজরদারি না থাকায় একটি প্রভাবশালী চক্র বেপরোয়াভাবে তিস্তা নদী কেটে বালু উত্তোলন চালিয়ে যাচ্ছে।

এ বিষয়ে স্থানীয়দের প্রশ্ন তিস্তা নদী রক্ষায় উপজেলা প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃশ্যমান অভিযান কবে শুরু হবে? নাকি তিস্তা নদী ধ্বংসের পরই টনক নড়বে প্রশাসনের?

সংবাদটি শেয়ার করুন




এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা ও ছবি অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি
Design & Developed by Freelancer Zone