লালমনিরহাটে জেলা পরিষদ মালিকানাধীন সদর ডাকবাংলা চত্ত্বরে প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার বাসভবনের পশ্চিম পার্শ্বের বাউন্ডারী ওয়ালের নিরাপত্তা নিশ্চিত না করে প্রাচীর ভেঙ্গে বিল্ডিং নির্মাণ স্থগিত করণ এবং ক্ষতিপূরণ প্রদান প্রসঙ্গে “কারণ দর্শানো নোটিশ” দিয়েছে জেলা পরিষদ লালমনিরহাট।
মোঃ লাল মিয়ার বিরুদ্ধে সাম্প্রতিক সময়ে জেলা পরিষদ লালমনিরহাট মালিকানাধীন সদর ডাকবাংলা চত্বরে প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার বাসভবনের পশ্চিম পার্শ্বের সীমানা প্রাচীরের নিরাপত্তা নিশ্চিত না করে বিল্ডিং নির্মাণ করায় প্রাচীরের প্রায় ১৫০ ফুট অংশ ভেঙ্গে পড়ার কারণে জেলা পরিষদ লালমনিরহাট এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
সোমবার (১ জুন) লালমনিরহাট জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) মোঃ আমিনুল ইসলাম স্বাক্ষরিত কারণ দর্শানো নোটিশ পাঠানো হয় লালমনিরহাট সদরের মিশন মোড়ের মোঃ লাল মিয়াকে।
কারণ দর্শানো নোটিশে বলা হয় যে, জেলা পরিষদ, লালমনিরহাট মালিকানাধীন সদর ডাকবাংলো চত্বরে প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার বাসভবনের পশ্চিম পার্শ্বের সীমানা প্রাচীরের নিরাপত্তা নিশ্চিত না করে বিল্ডিং নির্মাণ করায় প্রাচীরের প্রায় ১৫০-০০ অংশ ভেঙ্গে পড়ে আনুমানিক ১০,০০,০০০/- (দশ লক্ষ) টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে (ছবি সংযুক্ত)। এছাড়াও আপনি জমির সীমানা সঠিকভাবে নির্ধারণ না করে জেলা পরিষদের জমির মধ্যে বিন্ডিং এর ফাউন্ডেশন দিয়েছেন। যার ফলে আপনি জেলা পরিষদের স্থাবর এবং অস্থাবর সম্পত্তির ক্ষতিসাধন করেছেন। যা বিধি বহির্ভূত।
নোটিশে আরও বলা হয়, জেলা পরিষদের সীমানা প্রাচীর এবং নতুন নির্মিত ড্রেইনের ক্ষতিপূরণ বাবদ ১০,০০,০০০/- (দশ লক্ষ) টাকা প্রদান এবং জমির সীমানা নির্ধারণ না করা পর্যন্ত নির্মাণ কাজ বন্ধ রাখার জন্য অনুরোধ করা হলো। অন্যথায় আপনার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণপূর্বক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
জানা যায়, সীমানা প্রাচীরটি পুরোপুরি ধসে গেছে এবং বিপরীত পাশে বিএনপি কার্যালয়ের দেয়ালটিও ঝুকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। অপরদিকে ভেঙ্গে যাওয়া সীমানা প্রাচীর সংলগ্ন জেলা পরিষদ মার্কেটের একটি অংশ ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। যেকোনো সময় সেই অংশটি ধসে যেতে পারে।
লালমনিরহাট জেলা পরিষদের সহকারি প্রকৌশলী মোঃ রাশেদুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, সীমানা প্রাচীরটি ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় থাকাকালীন আমরা ক্ষতিপূরণ চেয়ে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছিলাম, তিনি সেটি ভ্রুক্ষেপ না করায় গভীর রাতে সীমানা প্রাচীরটির একটি অংশ ভেঙ্গে পড়েছে।