শিরোনাম :
সাপ্তাহিক আলোর মনি পত্রিকার অনলাইন ভার্সনে আপনাকে স্বাগতম। # সারাবিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পড়তে আমাদের সঙ্গেই থাকুন। -ধন্যবাদ।
শিরোনাম :
দৃষ্টিনন্দন বাবুই পাখির বাসা আজ বিলুপ্তির পথে অপপ্রচার ও শিষ্টাচারবহির্ভূত রাজনীতির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত বাসের ধাক্কায় অটোরিকশা চালক নিহত; স্বজন ও এলাকাবাসীর বিক্ষোভে মহাসড়ক অবরোধ তথ্য অধিকার আইন বিষয়ক ওরিয়েন্টেশন, কুইজ প্রতিযোগিতা ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন অবহিতকরণ ও কর্মপরিকল্পনা সভা অনুষ্ঠিত কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনা প্রণয়ন বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত শিক্ষকদের তালাবদ্ধ করে রাখল ছাত্র-ছাত্রীরা, ইউএনওর হস্তক্ষেপে মুক্ত ‎তিস্তা নদীর পানি বিপদসীমার ১সেন্টিমিটার ওপরে গৃহবধূকে ধর্ষণের অভিযোগে মাদরাসা শিক্ষক গ্রেফতার ওয়াপদা বাঁধের বেহাল দশা: চরম দুশ্চিন্তায় দিন পার করছেন ধরলা নদী পাড়ের মানুষ
কৃষকরা খড়ের বাজার চাঙ্গায় স্বস্তিতে

কৃষকরা খড়ের বাজার চাঙ্গায় স্বস্তিতে

Exif_JPEG_420

আলোর মনি রিপোর্ট: টানা কয়েক মৌসুম ধরে ধানের সাথে পাল্লা দিয়ে খড়ও বিক্রি হচ্ছে। ধান ও খড়ের দাম মোটামুটি সন্তোষজনক। তবে লালমনিরহাটের কৃষকেরা ধান ও খড়ের বাজার চাঙ্গায় স্বস্তিতে রয়েছেন।

 

লালমনিরহাটে একেবারে হঠাৎ খড় (গো-খাদ্য) বাজার চাঙ্গা হয়ে উঠেছে। মাত্র এক সপ্তাহ আগেও ১হাজার খড়ের আঁটির মূল্য ছিল ৪হাজার থেকে ৪হাজার ৫শত টাকা। খড়ের মূল্য বর্তমান বাজার ৬হাজারে গিয়ে ঠেঁকেছে। প্রতি পিস খড় আঁটি বিক্রি হচ্ছে ৬টাকা করে। হঠাৎ খড়ের বাজার চাঙ্গা হওয়ায় খুশি কৃষকেরা।

 

লালমনিরহাটের কৃষকেরা জানিয়েছেন, চলতি ইরি-বোরো মৌসুমেও এখন হঠাৎ করে খড়ের সবোর্চ্চ দাম উঠায় ক্ষতিগ্রস্থ কৃষকেরা কিছুটা ক্ষতি পুশিয়ে নিতে পারবে বলে আশা করছেন তারা। এদিকে লালমনিরহাট জেলার লালমনিরহাট সদরসহ আদিতমারী, কালীগঞ্জ, হাতীবান্ধা, পাটগ্রাম উপজেলার গ্রামে গ্রামে প্রতিদিন খড় ক্রয় করতে ট্রাক, ভটভুটি, টলি, ভ্যান, ঠেলাগাড়ী ও ঘোড়ারগাড়ী নিয়ে দুর-দুরান্তের থেকে চলে আসছেন কৃষক ও ব্যবসায়ীরা। তারা খড় ক্রয় করে নিয়ে যাচ্ছে।

খড় ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, লালমনিরহাট জেলার গো-খামারীরা খড় ক্রয় করছে। তাই খড়ের চাহিদা বেড়ে দাম হঠাৎ করে বৃদ্ধি পেয়ে দুই-তিন গুণ বেশি দিয়ে বিক্রি হচ্ছে।

 

লালমনিরহাট সদর উপজেলার ফুলগাছ গ্রামের কৃষক সাহেব আলী বলেন, আমার ইরি-বোরো ধানের খড়ের আটি প্রতি ৪টাকা করে বিক্রি করেছি। আর যে খড় রয়েছে তা দিয়ে নিজের গরুর চাহিদা পূরণ হবে।

 

মহেন্দ্রনগর ইউনিয়নের নওদাবস গ্রামের জাহাঙ্গীর বলেন, বিগত আমন মৌসুমের সকল খড়ের আঁটি জমা রয়েছে। যা দিয়ে ৩টি চৌয়ারি ঘর তৈরি করেছি। এতে বৃষ্টিতেও আঁটি নষ্ট হবে না। ভালো দাম পেলে বিক্রি করবো।

 

লালমনিরহাট সদর উপজেলা কৃষক লীগের সহ-সভাপতি হযরত আলী বলেন, ধান চাষ করে খড়ে বাড়তি লাভ হয় কৃষকের। ধানের দামের পাশাপাশি খড়ের বাজার চাঙ্গা থাকায় স্বস্তিতে কৃষকেরা।

সংবাদটি শেয়ার করুন




এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা ও ছবি অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি
Design & Developed by Freelancer Zone