শিরোনাম :
সাপ্তাহিক আলোর মনি পত্রিকার অনলাইন ভার্সনে আপনাকে স্বাগতম। # সারাবিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পড়তে আমাদের সঙ্গেই থাকুন। -ধন্যবাদ।
শিরোনাম :
লালমনিরহাটে আসন্ন শারদীয় শ্রী শ্রী দুর্গাপূজা উপলক্ষে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত লালমনিরহাটে বসতবাড়ির আঙ্গিনায় ফুটেছে দৃষ্টিনন্দন ফুল বাগান বিলাস! লালমনিরহাটে আন্তর্জাতিক গণতন্ত্র দিবস উপলক্ষে র‍্যালি বাস্তবায়নে যৌথ প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত লালমনিরহাটে রেলওয়ের জমিতে থাকা অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ! লালমনিরহাটে হিন্দু সম্প্রদায়ের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত ইসলামের দৃষ্টিতে শিক্ষক ইসলামে শিশুর অধিকার লালমনিরহাটে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন কেন্দ্রীয় সমন্বয়কদের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত লালমনিরহাটে তুলা উন্নয়ন বোর্ডের প্রধান তুলা উন্নয়ন কর্মকর্তা এর মাঠ পরিদর্শন! লালমনিরহাটে বিলুপ্তির পথে মৌমাছি ও মৌচাক!
লালমনিরহাটে বাড়ছে বাণিজ্যিকভাবে সুপারির চাষ

লালমনিরহাটে বাড়ছে বাণিজ্যিকভাবে সুপারির চাষ

আলোর মনি ডটকম ডেস্ক রিপোর্ট: লালমনিরহাটের উৎপাদিত সুপারি স্থানীয় চাহিদা পূরণ করে সরবরাহ করা হয়ে থাকে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে। এতে করে লাভবান হয়ে থাকেন লালমনিরহাটের কৃষকেরা।

 

জানা যায়, লালমনিরহাট জেলার ৫টি (লালমনিরহাট সদর, আদিতমারী, কালীগঞ্জ, হাতীবান্ধা, পাটগ্রাম) উপজেলার ৪৫টি ইউনিয়ন ও ২টি (লালমনিরহাট, পাটগ্রাম) পৌরসভার জমিতে ছোট-বড় আকারের সুপারি বাগান রয়েছে। এবার চলতি মৌসুমে সুপারি উৎপাদন গত বছরের উৎপাদনকে ছাড়িয়ে যাবে বলে আশা করছেন স্থানীয় কৃষকেরা।

 

কৃষকেরা বলেন, লালমনিরহাটের প্রায় প্রতিটি বাড়িতে অতিথি আপ্যায়নের জন্য সুপারি অন্যতম উপকরণ। প্রতিটি গৃহস্থের বাড়িতে বাড়িতে অতিথি এসে খালি মুখে গেলে নাকি অমঙ্গল হয়। তাই পান-সুপারি থাকতেই হবে প্রতিটি বাড়িতে। যুগ যুগ ধরে চলে আসা এই প্রথা এখনও বিদ্যমান রয়েছে লালমনিরহাটে। এক সময় লালমনিরহাট জেলার কৃষকেরা নিজেদের প্রয়োজনে বাড়ির আশপাশের অল্প কিছু সুপারি গাছ লাগাতেন। এখন লালমনিরহাটে পাকা লাল রঙের সুপারি চাষ হচ্ছে বাণিজ্যিকভাবে।

 

কৃষকেরা জানান, বসতবাড়ির আশপাশে এবং উঁচু জমিতে চারা লাগানোর আড়াই থেকে তিন বছরের মধ্যেই ফল দিতে শুরু করে সুপারির গাছ। বছরে এক-দুবার গোবর সার আর পানির সেচ দেওয়া ছাড়া আর তেমন কোনো বাড়তি পরিচর্যা করা লাগে না।

 

কৃষকেরা আরও জানান, মৌসুমের শুরু থেকে দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে লালমনিরহাটে এসে ব্যবসায়ীরা সুপারি কিনে নিয়ে যায়। স্থানীয় ব্যবসায়ীরা কেউ কেউ আবার সুপারি কিনে তা মাটিতে খাল করে পুতে রাখেন বা পানিতে ভিজিয়ে রাখেন। পরে পানিতে পঁচানো ওই সুপারি বিক্রি করেন প্রায় দেড়গুণ দামে।

 

উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা সেলিম বলেন, লালমনিরহাটের মাটি এবং আবহাওয়া সুপারি চাষের জন্য অত্যন্ত উপযোগী। এ কারণে এখানকার সুপারি আকারে অনেক বড় এবং সুস্বাদু হয়।

সংবাদটি শেয়ার করুন




এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা ও ছবি অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি
Design & Developed by Freelancer Zone