শিরোনাম :
সাপ্তাহিক আলোর মনি পত্রিকার অনলাইন ভার্সনে আপনাকে স্বাগতম। # সারাবিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পড়তে আমাদের সঙ্গেই থাকুন। -ধন্যবাদ।
শিরোনাম :
অধ্যক্ষ আসাদুল হাবিব দুলুকে মন্ত্রী হিসেবে দেখতে চায় লালমনিরহাটবাসী ১৫ বিজিবি’র মাদক বিরোধী বিশেষ অভিযানে বিপুল পরিমান ভারতীয় ইস্কাফ সিরাপ জব্দ অধ্যক্ষ আসাদুল হাবিব দুলু’র চমক! নব-নির্বাচিত সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ আসাদুল হাবিব দুলুকে সাংবাদিকদের ফুলেল শুভেচ্ছা জ্ঞাপন অনুষ্ঠিত ফিরে দেখা: জাতীয় পরিষদ, প্রাদেশিক পরিষদ ও জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যাঁরা নির্বাচিত! লালমনিরহাট-০২ আসনে পূর্ণাঙ্গ ভোট গণনার দাবিতে প্রার্থীর সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত লিচু গাছে গাছে সোনালী মুকুল যাঁরা জাতীয় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হলেন! উৎসব মুখর পরিবেশে ভোট গ্রহণ ‎ভোটের সময় সবাই বলেন লালমনিরহাটের শিবেরকুটি সরেয়ারতল ঘাটে ব্রিজ হবে, ভোট শেষে খবর থাকে না
লালমনিরহাটে করলায় লাভবান কৃষক, বাড়ছে আবাদ

লালমনিরহাটে করলায় লাভবান কৃষক, বাড়ছে আবাদ

লালমনিরহাটে এবার ব্যাপক হারে দেশী ও হাইব্রিড জাতের করলা চাষ করা হয়েছে। আবহাওয়া অনুকূল থাকায় এ থেকে ভালো ফলন পেয়েছেন কৃষকরা। একই সঙ্গে তারা বাজারে সবজিটির কাঙ্খিত দামে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন।

 

লালমনিরহাটে এবার উৎপাদিত করলা বাজারে উঠছে মাস দুয়েক আগে থেকেই।

 

কৃষি বিভাগের তথ্য মতে, এবার জেলায় গ্রীষ্মকালীন করলার বাজারে ভালো চাহিদা থাকায় ও অর্থকরী হওয়ায় সবজিটি আবাদ করে জেলার বহু কৃষকের ভাগ্য পরিবর্তন হয়েছে। ফলে দিন দিন করলা চাষে বাড়ছে আগ্রহী কৃষকের সংখ্যা।

 

লালমনিরহাট সদর উপজেলার কোদালখাতা গ্রামের করলা চাষী সাইফুল ইসলাম, তিনি তার ১বিঘা জমিতে ৩বছর ধরে দেশি ও হাইব্রিড জাতের করলা চাষ করছেন। এবার বীজ, মাচা তৈরি ও শ্রমিকের মজুরিসহ তার প্রতি বিঘায় খরচ হয়েছে ২৫হাজার টাকা।

 

লালমনিরহাট সদর উপজেলার ফুলগাছ গ্রামের করলা চাষীরা জানান, প্রতি বছরের মতো এবারও করলার বাম্পার ফলন হয়েছে। প্রতি বিঘা জমিতে ১শত মণ থেকে ১শত ২০মণ করলা উত্তোলন করা সম্ভব হচ্ছে। বর্তমান দরে করলা বিক্রি করতে পারলে খরচ বাদে প্রতি বিঘা ৪০হাজার থেকে ৫০হাজার টাকা লাভের আশা করছেন।

 

আরও বেশ কয়েকজন চাষী জানান, করলার রোগবালাই খুবই কম। কোনো কোনো সময় বৈরী আবহাওয়ার কারণে গাছ শুকিয়ে যায় কিংবা পচন ধরে। তবে কৃষি বিভাগের পরামর্শে রোগ বুঝে ঔষুধ প্রয়োগ করলে সুফল পাওয়া যায়।

 

গোশালা বাজারের আড়তদার বলেন, কৃষকরা করলা নিয়ে এলে আমরা তা অন্য জেলার বেপারিদের কাছে বিক্রি করে দেই।

 

উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মোঃ শহীদুল ইসলাম খন্দকার বলেন, লালমনিরহাট কৃষি প্রধান জেলা। এ এলাকায় ধান ও ভূট্টার পাশাপাশি প্রায় সব ধরনের সবজির চাষ হয়। বরাবরের মতো এবারো করলা চাষ করে জেলার কৃষকরা ভালো লাভ করেছেন। ফলনও খুব ভালো হয়েছে। দিন দিন জেলায় করলার চাষ বাড়ছে। কৃষি বিভাগ থেকে কৃষকদের এ বিষয়ে সব ধরনের সহযোগিতা করা হচ্ছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন




এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা ও ছবি অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি
Design & Developed by Freelancer Zone