শিরোনাম :
সাপ্তাহিক আলোর মনি পত্রিকার অনলাইন ভার্সনে আপনাকে স্বাগতম। # সারাবিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পড়তে আমাদের সঙ্গেই থাকুন। -ধন্যবাদ।
বীরমুক্তিযোদ্ধা হত্যা মামলার আসামীদের গ্রেফতারের দাবিতে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি

বীরমুক্তিযোদ্ধা হত্যা মামলার আসামীদের গ্রেফতারের দাবিতে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি

লালমনিরহাটের পাটগ্রামে সাবেক অধ্যক্ষ ও বীর মুক্তিযোদ্ধা এম এ ওয়াজেদ আলীকে হত্যা মামলার আসামীদের দ্রুত গ্রেফতারের দাবিতে মানববন্ধন, বিক্ষোভ মিছিল ও গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি দিয়েছে লালমনিরহাট জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ।

 

রোববার (২৯ জানুয়ারি) সকাল ১১টায় লালমনিরহাট জেলা শহরের মিশন মোড় চত্ত্বরে এ মানববন্ধন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

 

মানববন্ধনে বক্তারা নিহত পাটগ্রাম মহিলা কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ বীর মুক্তিযোদ্ধা এম ওয়াজেদ আলীর স্মৃতিচারণ করে বলেন, শুধু পাটগ্রাম নয় জেলার সর্বজন শ্রদ্ধেয় ব্যক্তি ছিলেন তিনি। এই হত্যাকান্ডের মূল আসামী ঘটনার ১০দিনেও গ্রেফতারর হয়নি। বীর মুক্তিযোদ্ধা এম ওয়াজেদ আলীকে হত্যা একটি পরিকল্পিত ঘটনা বলে দাবি করে ঘটনায় জড়িত মুল আসামীদের দ্রুত গ্রেফতার এবং ঘটনার পিছনের ঘটনা খুঁজে বের করতে আইন শৃঙ্খলা বাহিনির প্রতি দাবী জানানো হয়।

 

মানববন্ধনে একাত্মতা ঘোষণা করে বক্তব্য রাখেন লালমনিরহাট জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাড. মোঃ মতিয়ার রহমান, বীর মুক্তিযোদ্ধা আমিনুল ইসলাম, লালমনিরহাট সদর উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার আবু বকর সিদ্দিক, লালমনিরহাট জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার মেজবাহ উদ্দিন প্রমুখ।

 

পরে তাঁরা বিক্ষোভ মিছিলসহ জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি দেন। স্মারকলিপি গ্রহন করেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক রাজস্ব টি এম এ মমিন।

 

এ সময় তিনি বলেন, আমরা সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছি। তদন্ত চলছে। এ পর্যন্ত ঘটনায় জড়িত সন্দেহে একজনকে গ্রেফতার করে রিমান্ডে নেয়া হয়েছে। দ্রুত মুল আসামী গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

 

উল্লেখ্য; গত ২০ জানুয়ারি রাতে পাটগ্রাম পৌরসভার নিউ পূর্ব পাড়ার নিজস্ব বাড়ীর সামনে সাবেক অধ্যক্ষ বীর মুক্তিযোদ্ধা এম ওয়াজেদ আলী (৬৯) দুর্বৃত্তের ধারালো অস্ত্রের দারা আহত হন। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই রাতেই নিহত হন তিনি। পরদিন নিহতের ছোট ছেলে রিফাত হাসান (২৯) বাদী হয়ে পাটগ্রাম থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার তদন্তে নেমে পাটগ্রাম থানা পুলিশ সন্দেহ ভাজন একজনকে গ্রেফতার করলেও এজাহারভুক্ত মূল আসামীকে ঘটনার ১০দিন পেরিয়ে গেলেও গ্রেফতার করতে পারিনি।

সংবাদটি শেয়ার করুন




এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা ও ছবি অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি
Design & Developed by Freelancer Zone